একজন লোক মেলায় লাল-সবুজ-হলুদ ইত্যাদি অনেক রঙের বেলুন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। বিক্রি কমে গেলে সে হিলিয়াম গ্যাসে ভর্তি বেলুন আকাশে উড়িয়ে দিত এবং এতে করে তার বিকি বেড়ে যেত। একদিন একটি বাচ্চা ছেলে জিজ্ঞেস করল- 'কালো রঙের বেলুনও কি আকাশে উড়বে?' উত্তরে লোকটি বলল; 'ভাই, রঙের জন্য বেলুন আকাশে ওড়ে না, ভেতরের গ্যাস বেলুনকে। আকাশে ওড়ায়।'
উদ্দীপকের ছেলেটির 'কালে রঙের বেলুনও কি আকাশে উড়বে?' উক্তিটি 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের নগেনের ভ্রান্ত ধারণাকে নির্দেশ করে।
আমাদের সমাজে ভূত-প্রেত, আত্মা ইত্যাদি সম্পর্কে নানা কুসংস্কার প্রচলিত। মানুষ তাই খুব সহজেই অশরীরী শক্তিতে বিশ্বাসী হয়ে ওঠে। আসলে ভূত-প্রেত, আত্মা বলতে কিছুই নেই।
উদ্দীপকের ছেলেটির একটি ভুল ধারণা এবং সেই ভুল সংশোধনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বেলুন আকাশে কেন ওড়ে তার প্রকৃত কারণ না জেনেই ছেলেটি বেলুন বিক্রেতাকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে। এখানে ছেলেটির মধ্যে যে ভ্রান্ত ধারণা প্রকাশ পেয়েছে তা 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের নগেনের ভূতে বিশ্বাসের ভ্রান্ত ধারণার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। নগেনও না বুঝে মামার ছবিতে ভূতের কারসাজি মনে করেছে। তারপর পরাশর ডাক্তার যখন ছবিটি রুপার ফ্রেমে বাঁধানোর কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহের কথা বুঝিয়ে বলেছেন, তখন নগেনের ভুল ভেঙেছে। উদ্দীপকের বেলুন বিক্রেতাও ছেলেটিকে হিলিয়াম গ্যাস ভরে বেলুন উড়ানোর বিষয়টি বুঝিয়ে বলেছেন। এভাবে উদ্দীপকের ছেলেটির ধারণা গল্পের নগেনের ভূতে বিশ্বাসের ধারণাকে নির্দেশ করেছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?